বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত মে মাসের শেষ দিকে রাষ্ট্রপতি গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের গুলশান করপোরেট শাখার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করেন। আবেদনে তিনি চিকিৎসা ও পারিবারিক ব্যয়ের জন্য নিজের হিসাব থেকে ৩০ লাখ টাকা উত্তোলনের অনুমতি চান। পরে গত ১৬ জুন কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাকে ২০ লাখ টাকা উত্তোলনের অনুমতি দেয়।
ব্যাংক রেজল্যুশন স্কিমের আওতায় থাকা একীভূত পাঁচটি ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য অর্থ উত্তোলনের সীমা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ব্যবস্থার আওতায় একজন আমানতকারী এককালীন সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা উত্তোলন করতে পারেন। এরপর যাদের আমানত দুই লাখ টাকার বেশি, তারা প্রতি তিন মাসে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা করে তুলতে পারেন।
তবে গুরুতর অসুস্থতার ক্ষেত্রে বিশেষ বিবেচনায় প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলনের সুযোগ রয়েছে। যদিও অনেক আমানতকারী অভিযোগ করেছেন, প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও তারা এই বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন না।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চিকিৎসার জন্য অর্থ উত্তোলনের অনুমতি চেয়ে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে আবেদন করেছিলেন। ব্যাংক রেজল্যুশন স্কিমের আওতায় আমানত পরিশোধের বিষয়টি পরিচালিত হলেও রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক পদমর্যাদা ও বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় তাকে ২০ লাখ টাকা উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জটিল রোগে আক্রান্ত আমানতকারীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার সুযোগ রয়েছে। ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে এর আগেও কয়েকজন আমানতকারীকে একই ধরনের বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছে।