দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান আমিরের নেতৃত্বে এটি গঠনতন্ত্রে সবচেয়ে বড় ধরনের সংশোধন হতে যাচ্ছে। প্রস্তাবিত পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বৃদ্ধি, উপদেষ্টা পরিষদ গঠন এবং বিভিন্ন সাংগঠনিক ধারার পরিমার্জন।
প্রস্তাব অনুযায়ী, গঠনতন্ত্রের ষষ্ঠ অধ্যায়ের ৬৮ নম্বর ধারায় নতুন উপধারা যুক্ত করে জেলা ও মহানগর পর্যায়ের আমিরদের আর্থিক ব্যয়ের সীমা নির্ধারণ করা হবে। পাশাপাশি দলীয় অর্থায়নের উৎস ও আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলোও আরও স্পষ্টভাবে গঠনতন্ত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিয়ে ইতোমধ্যে দলীয় শুরা বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রস্তাবগুলো প্রথমে সংশোধনী কমিটি, এরপর নির্বাহী পরিষদ এবং শেষে শুরা পরিষদের বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ২৩তম সংশোধনী প্রস্তাব শুরা সভায় উপস্থাপন করা হয়েছে এবং কয়েকটি বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে কিছু প্রস্তাব নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে।
প্রস্তাবিত পরিবর্তনের মধ্যে কেন্দ্রীয় সংগঠনের অধীনে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের বিষয়ও রয়েছে। এই পরিষদে দলের সদস্য না হলেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের বিষয়টি নিয়ে শুরা সদস্যদের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। আগামী শুরা বৈঠকে এ বিষয়ে আরও আলোচনা হবে। চূড়ান্ত অনুমোদনের পর সংশোধনীগুলো দলটির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
দলীয় নেতাদের মতে, সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী করতেই এসব সংশোধনীর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।