সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) মতবিনিময় সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, ঢাকার জন্য প্রায় ৬০টি কার্যকর বাস রুটই যথেষ্ট। তাই অপ্রয়োজনীয় ও অচল রুটগুলো বাতিল করে নতুনভাবে রুট বিন্যাস করা হবে।
রাজধানীর গণপরিবহনে আসছে বড় পরিবর্তন, বাতিল হবে অচল বাস রুট
পরিকল্পনা অনুযায়ী, নগরীর কেন্দ্রস্থলে যানজট কমাতে বাস রুটের শুরু ও শেষ প্রান্ত শহরের বাইরের অংশে নির্ধারণ করা হবে। পাশাপাশি নতুন বাস টার্মিনাল, ডিপো এবং পর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধা গড়ে তোলারও সুপারিশ করা হয়েছে।
এছাড়া ফিটনেসবিহীন এক হাজারের বেশি বাস দ্রুত সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। নতুন রুট চূড়ান্ত হওয়ার পর কোন কোম্পানি কোন রুট পরিচালনা করবে তা নির্ধারণ করা হবে। প্রতিটি রুটে একটি মাত্র অপারেটর থাকবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বাসের সংখ্যাও নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ফিটনেস সনদ, রুট পারমিট ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করেই বাস চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও পরিবহন বিশেষজ্ঞ ড. মো. হাদিউজ্জামান বলেন, রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতে বাস রুট রেশনালাইজেশনের বিকল্প নেই। তবে এটি সফল করতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা, সুপরিকল্পিত প্রস্তুতি এবং কার্যকর ব্যবসায়িক মডেল নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার পরিচালন ব্যয় নির্ধারণ করে টেন্ডারের মাধ্যমে নির্দিষ্ট রুট পরিচালনার দায়িত্ব অপারেটরদের দিতে পারে। একই সঙ্গে বাসগুলোকে নির্ধারিত রুট, স্টপেজ, সময়সূচি ও গতিসীমা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।