আজ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশ দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিশোর গ্যাং ও মাদক এখন বড় সামাজিক সমস্যা। দ্রুত মাদক নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এর বিস্তার আরও বাড়বে এবং সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। মাদক নির্মূলকে অগ্রাধিকার দিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
মাদক কারবারিদের তালিকা তৈরি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে প্রতিটি এলাকায় বিশেষ টিম গঠনের নির্দেশ দেন তিনি। তালিকা অনুযায়ী মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।
যানজট নিরসনে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে আনার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। এগুলোকে দ্রুত নিয়ন্ত্রণ ও লাইসেন্সের আওতায় আনার উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
উন্নয়নমূলক কাজের ধীরগতি থাকলে তা তাকে অবহিত করার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন হলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে এসব কাজ বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী প্রতি মাসে জেলাভিত্তিক আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন বলেও জানান তিনি।
সভায় মাদক বিক্রি, কিশোর গ্যাং, ডাকাতি, চুরি ও ছিনতাই প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা, অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং যানজট নিরসনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর নীতি বাস্তবায়নে পুলিশের আরও কার্যকর ভূমিকার আহ্বান জানান সংসদ সদস্যরা।
সভায় ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




