বৈঠক শেষে ফোরামের নেতারা জানান, তাঁদের উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যার সঙ্গে ব্যাংকের প্রশাসক একমত পোষণ করেছেন এবং সমাধানের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন।
পর্ষদ গঠন না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সচেতন গ্রাহক ফোরামের
ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক নুর নবী মানিক বলেন, ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে দ্রুত একটি পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা প্রয়োজন। তাঁর মতে, ইসলামী ব্যাংকের মতো একটি বড় ব্যাংক কেবল একজন প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালনা করা সম্ভব নয়।
এস আলম গ্রুপের শেয়ারসংক্রান্ত চলমান মামলায় আইনজীবী পরিবর্তনের মাধ্যমে মামলা দুর্বল করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। অনতিবিলম্বে সৎ, যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়ে পরিচালনা পর্ষদ গঠনসহ তাঁদের সাত দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
আরও পড়ুন
ফোরামের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—আলোচনার মাধ্যমে স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন, ব্যাংকের প্রকৃত মালিকানা আদি মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া, ব্যাংক লুটের সঙ্গে জড়িতদের বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, অপপ্রচার রোধ ও ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, পাচারকৃত অর্থ ও লুণ্ঠিত সম্পদ উদ্ধার, ব্যাংক খাতের লুটেরাদের আজীবন অযোগ্য ঘোষণা এবং ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সংসদে দেওয়া বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রত্যাহার।
ফোরাম বলছে, এসব দাবি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের সুশাসন ও গ্রাহকদের আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।