বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে রাজধানীর তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল ‘প্রোটিন, যা শক্তি দেয় ও সুরক্ষা করে’।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বছর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ থেকে নাইজেরিয়ায় হ্যাচিং ডিম রপ্তানি করা হয়েছে। উন্নত মানের পণ্য উৎপাদন ও উৎপাদন খরচ কমাতে পারলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে ডিম রপ্তানিও সম্ভব হবে। এ জন্য পোলট্রি খাতের সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
পোলট্রি খাতের উৎপাদন ব্যয় কমাতে ফিডের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনা এবং ফিডে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করার ওপর গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। পাশাপাশি তরুণ উদ্যোক্তাদের এ খাতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পোলট্রি শিল্পের বিকাশ গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করার পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।
গ্রামীণ নারীদের স্বাবলম্বী করতে বাড়ির আঙিনায় হাঁস-মুরগি পালনে উৎসাহ দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে নারীরা পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আয়ও বাড়াতে পারবেন। পোলট্রি খামারে বিদ্যুতের ব্যয় কমাতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় আনার বিষয়ে সরকারের সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের আহ্বায়ক মসিউর রহমান এবং ওয়ার্ল্ডস পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ শাখার জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. সিরাজুল হক। এ ছাড়া মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, তুলা উন্নয়ন বোর্ড ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে র্যালি ও বিনামূল্যে ডিম বিতরণ করা হয়। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ওয়ার্ল্ডস পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ শাখা এবং বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল যৌথভাবে এসব কর্মসূচির আয়োজন করে।




