মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জের বন্দরে শ্রমজীবী মহিলা হোস্টেল ও ৫০ শয্যার হাসপাতালসহ শ্রমকল্যাণ কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, হামলার পরপরই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিদেশে বাংলাদেশের শ্রমকল্যাণ উইংগুলো কাজ শুরু করেছে। প্রবাসীদের সতর্ক থাকতে ও নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। কোনো সমস্যায় পড়লে বাংলাদেশ মিশনের দেওয়া নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন তাঁরা। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে একটি মনিটরিং সেল প্রতি এক থেকে দুই ঘণ্টা পরপর তথ্য সংগ্রহ করছে।
বিদেশে কর্মী পাঠানোর নামে প্রতারণা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অনিয়মের অভিযোগে প্রায় ৫২টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়েছে এবং মামলা করা হচ্ছে। ভিসার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ নেওয়ার অভিযোগও যাচাই করা হচ্ছে। কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে ভিসা যাচাই, ইমিগ্রেশন ও বিএমইটির কার্যক্রমসহ বিভিন্ন স্তর অনলাইনের আওতায় আনা হবে। আগামী চার থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে এ উদ্যোগের দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে বন্দরে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত শ্রমজীবী মহিলা হোস্টেল ও ৫০ শয্যার হাসপাতাল আগামী ৭ নভেম্বরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর ঘোষণা দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, শিল্পকারখানায় কর্মরত নারী শ্রমিকদের আবাসন ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে নির্মিত প্রতিষ্ঠান দুটি দীর্ঘদিন চালু না হওয়ায় সেগুলো সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস সামনে রেখে হোস্টেল ও হাসপাতালটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে এলাকার নারী শ্রমিকেরা উপকৃত হবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
পরিদর্শনকালে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম, বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিবানী সরকার, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় শ্রমিকনেতারা উপস্থিত ছিলেন।




