টাইগার সংঘের ৪৫তম বছর উপলক্ষে নির্মিত হয়েছে বিশাল আকৃতির দুর্গাপ্রতিমাটি। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক পার্থ পাল চৌধুরী বলেন, রাজশাহী সম্প্রীতির শহর। এখানে সব ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মকে সমান মর্যাদা দেন।
তাহেরপুরের চকোলেট প্রতিমাটি স্থানীয় সামাজিক সংগঠন নবজাগরণ সংঘের উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮০ হাজার টাকা। নাটোরের প্রতিমাশিল্পী নীল কুমার দাস ১০ হাজার কয়েন চকোলেট দিয়ে প্রতিমাটি নির্মাণ করেন। মন্দির কমিটির সভাপতি শিবেন হালদার ও সাধারণ সম্পাদক দিজেন হালদার জানান, দর্শনার্থীদের নিরাপদে পূজা উপভোগের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এবার রাজশাহী মহানগরীতে ৮৫টি এবং জেলার আটটি উপজেলায় ৩৮১টিসহ মোট ৪৬৬টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে বাগমারায় সর্বোচ্চ ৮৬টি মণ্ডপ রয়েছে।
পূজার নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক অশোক কুমার সাহা। তিনি নবমীর দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজশাহী ধর্মসভা পরিদর্শনে আসবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। তাঁর ভাষ্য, এবার পূজামণ্ডপগুলোতে সর্বোচ্চ সরকারি অনুদান দেওয়া হয়েছে এবং পুরোহিতেরা নিয়মিত মাসিক ভাতা পাচ্ছেন।
৪৫ ফুট উচ্চতার দুর্গাপ্রতিমা ও চকোলেটে তৈরি দেবীমূর্তি—দুই ব্যতিক্রমী আয়োজন ঘিরে রাজশিয়ার পূজামণ্ডপগুলোতে দর্শনার্থীদের আগ্রহ বেড়েছে।




