পুতিন সি চিন পিংকে বলেন, ‘আমার প্রিয় বন্ধু।’ আর সি পুতিনকে বলেন, ‘আমার পুরোনো বন্ধু।’

দুই নেতা পরস্পরের সঙ্গে এ ভাষাতেই কথা বলেন। তাঁরা বিশ্বকে দেখাতে চান, তাঁদের মধ্যে একটি বিশেষ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। এখন পর্যন্ত তাঁদের ৪০ বারের বেশি মুখোমুখি সাক্ষাৎ হয়েছে।
রাশিয়া ও চীনের নেতারা যে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন, এতে দুই দেশের মধ্যে অংশীদারত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বন্ধুত্ব ও আস্থার ক্ষেত্রে কৌশলগত সহযোগিতার কথা বলেছেন।
একই সঙ্গে তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রের ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ পারমাণবিক নীতির সমালোচনা করেছেন। সেই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘গোল্ডেন ডোম’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছেন।

পুতিন চীন সফরে আসার আগে আগে রাশিয়ার সরকারি পত্রিকা নিজেদের প্রথম পাতায় দুটি বড় ছবি প্রকাশ করে। এর একটিতে দেখা যায়, গত সপ্তাহে চীন সফর শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একা এয়ার ফোর্স ওয়ানের সিঁড়ি বেয়ে উঠছেন; সেটার পাশে ছাপানো হয় পুতিন ও সি চিন পিং একসঙ্গে হাঁটছেন—এমন একটি পুরোনো ছবি।
ছবিতে বার্তা ছিল স্পষ্ট—রাশিয়া ও চীন বিশ্ব মঞ্চে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলছে।
কিন্তু বৈশ্বিক ভূরাজনীতি এসব বার্তার ওপর নির্ভর করে চলে না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ভূরাজনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তি হয় নিজস্ব স্বার্থ।
