সর্বশেষ
রাশিয়া-ইউক্রেনকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশের শীর্ষ গম সরবরাহকারী এখন আর্জেন্টিনা নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায়: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা দেশের বাজারে আজ যে দামে মিলবে স্বর্ণ সভাপতি শিবা শানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী কেপ ভার্দের প্রতিরোধ ভেঙে কোয়ার্টার ফাইনালে মেসির আর্জেন্টিনা আমরা ভালো মানুষ বলেই খামেনির দাফনে এক সপ্তাহ সময় দিয়েছি: ট্রাম্প জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার ও আহতদের স্মৃতি স্মারক দিলেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত, এক নজরে পুরো সূচি জুলাই আন্দোলন নিয়ে মন্তব্য: শাওন, মাহি ও আরও একজনের বিরুদ্ধে মামলা জুলাই শহীদদের স্মরণে শনিবার বিশেষ সভা, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

মদের বোতলে পানি পান করা কি জায়েজ? ইসলাম কী বলে

মদের বোতলে পানি পান করা কি জায়েজ? ইসলাম কী বলে
ইসলামে মদ পান সম্পূর্ণ হারাম। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা মদকে শয়তানের কাজ হিসেবে উল্লেখ করে তা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

আল্লাহ তাআলা বলেন, “হে মুমিনগণ! মদ, জুয়া, মূর্তিপূজা ও ভাগ্য নির্ধারণের তীর তো শয়তানের অপবিত্র কাজ। সুতরাং তোমরা এগুলো বর্জন করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো।” (সূরা মায়েদা: ৯০)

হাদিসেও মদ ও সব ধরনের নেশাজাতীয় দ্রব্য হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “প্রত্যেক নেশাদ্রব্যই মদ এবং প্রত্যেক মদই হারাম।” (সহিহ মুসলিম)

এ কারণে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে—যে বোতলে আগে মদ রাখা হয়েছিল, সেটি ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করার পর সেখানে পানি বা অন্য কোনো হালাল পানীয় পান করা কি জায়েজ?

ইসলামের প্রাথমিক যুগে নিষেধাজ্ঞা

মদ হারাম ঘোষণার পর ইসলামের প্রাথমিক সময়ে মদের পাত্র ব্যবহারে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা ছিল। আলেমরা এর কয়েকটি কারণ উল্লেখ করেছেন—

  • পাত্রে মদের গন্ধ বা অবশিষ্টাংশ থেকে যাওয়ার আশঙ্কা।
  • নতুন মুসলমানদের মধ্যে মদের পুরোনো অভ্যাস ও আসক্তি পুনরায় জেগে ওঠা থেকে বিরত রাখা।
  • মানুষের মনে মদের প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করা।

পরবর্তীকালে যখন মুসলমানদের মধ্যে মদ হারাম হওয়ার বিধান সুপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং সেই আশঙ্কাগুলো দূর হয়ে যায়, তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেন।

হজরত বুরাইদা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, “আমি তোমাদের কিছু পাত্র ব্যবহার করতে নিষেধ করেছিলাম। পাত্র কোনো কিছুকে হালাল বা হারাম করে না। তবে প্রত্যেক নেশাজাতীয় বস্তুই হারাম।” (সহিহ মুসলিম)

আলেমদের মতামত

সমসাময়িক ইসলামি আইনবিদদের মতে, এ বিষয়ে দুটি দিক রয়েছে।

প্রথমত, বৈধতার দিক: যদি মদের বোতল বা পাত্র এমনভাবে ধোয়া হয় যে তাতে মদের কোনো চিহ্ন, গন্ধ বা অবশিষ্টাংশ না থাকে, তাহলে সেই পাত্রে পানি বা অন্য হালাল পানীয় রাখা এবং পান করা শরিয়তের দৃষ্টিতে জায়েজ।

দ্বিতীয়ত, উত্তম বা তাকওয়ার দিক: যদিও তা বৈধ, তবুও অনেক আলেম এমন বোতল ব্যবহার না করাকেই উত্তম মনে করেন। কারণ এটি একসময় হারাম কাজে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং কিছু মানুষের মনে বিভ্রান্তি, কৌতূহল বা নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করতে পারে।

উপসংহার

সারসংক্ষেপে বলা যায়, ভালোভাবে পরিষ্কার করার পর মদের বোতলে পানি পান করা অধিকাংশ আলেমের মতে জায়েজ। তবে তাকওয়া, আত্মসংযম এবং হারাম বিষয়ের প্রতি সংবেদনশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে এ ধরনের বোতল ব্যবহার এড়িয়ে চলাই অধিক উত্তম।

ঢাকা ম্যাগাজিনের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
ধর্ম থেকে আরও
পরিমাণ-ওজনে কম দেওয়া বড় গুনাহ

পরিমাণ-ওজনে কম দেওয়া বড় গুনাহ

২ দিন আগে
জীবন-জীবিকার মানোন্নয়নে প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়

জীবন-জীবিকার মানোন্নয়নে প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়

২ দিন আগে
সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ

সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ

২ দিন আগে
যেসব আমলে দ্রুত কবুল হতে পারে দোয়া

যেসব আমলে দ্রুত কবুল হতে পারে দোয়া

২ দিন আগে
বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: পুতুল

বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: পুতুল

৮ ঘণ্টা আগে
শেখ হাসিনাকে নিয়ে সোহেল তাজের বিস্ফোরক ফেসবুক পোস্ট

শেখ হাসিনাকে নিয়ে সোহেল তাজের বিস্ফোরক ফেসবুক পোস্ট

৯ ঘণ্টা আগে