রোববার (৫ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ক্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, এবারের বাজেটে ধান, চাল, গম, আটা, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, চিনি, ভোজ্যতেল, মাছ, মাংস, বীজসহ ৬৩টি নিত্যপণ্যের উৎসে কর সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে। একইভাবে সব ধরনের ভোজ্যতেলের উৎসে করও কমানো হয়েছে, যাতে আমদানি ও বাজারজাতকরণ ব্যয় হ্রাস পেয়ে ভোক্তারা সুবিধা পান।
তিনি বলেন, বাজেট ঘোষণার সময় ক্যাব এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছিল। তবে ব্যবসায়ীরা এখন দাবি করছেন, বাজারে থাকা পণ্য আগের বেশি দামে আমদানি করা হওয়ায় নতুন চালান না আসা পর্যন্ত দাম কমানো সম্ভব নয়। অথচ যেসব পণ্যের ওপর শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে, সেগুলোর দাম দ্রুত বাড়ানো হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের দ্বৈত নীতি স্পষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ক্যাবের দাবি, বাজার তদারকি সংস্থাগুলোর কার্যকর নজরদারির অভাবে করছাড়ের সুবিধা ভোক্তাদের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে প্রশাসনের নমনীয় অবস্থান বাজারে অস্থিরতা বাড়াচ্ছে।
সংগঠনটি আরও জানায়, বাজেটে আমদানি করা সব ধরনের মসলা ও খেজুরের ওপর ৫ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক প্রত্যাহার করা হলেও বাজারে এখনো এর ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি। বরং দারুচিনি, লবঙ্গ, জয়ত্রী, পোস্তদানা, কাজুবাদাম ও কাঠবাদামের মতো কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়েছে।
ক্যাবের মতে, সরকার কর ছাড় দিয়ে রাজস্বে ছাড় দিলেও সেই সুবিধা যদি ভোক্তারা না পান, তাহলে বাজেটের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। তাই করছাড়ের প্রকৃত সুফল নিশ্চিত করতে বাজার তদারকি আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।