নতুন বলটি গত বছরের অক্টোবরে উন্মোচিত ‘ট্রিওন্ডা’ মডেলের উন্নত সংস্করণ। আগের বলের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য ও পারফরম্যান্স অপরিবর্তিত রাখা হলেও বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বের আবহ ফুটিয়ে তুলতে এর নকশায় আনা হয়েছে নতুনত্ব।
অ্যাডিডাস জানিয়েছে, এবার শুধু রঙ পরিবর্তনের প্রচলিত ধারা অনুসরণ করা হয়নি। কালো পটভূমির ওপর সোনালি নকশায় বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতীকী উপস্থাপন করা হয়েছে, যা শিরোপা লড়াইয়ের মর্যাদাকে তুলে ধরে বলটিকে দিয়েছে আলাদা বৈশিষ্ট্য।
বলটির নকশায় বিশ্বকাপের ১৬টি আয়োজক শহরের পরিচয়ও স্থান পেয়েছে। শেষ চার ম্যাচের ভেন্যু ডালাস, আটলান্টা, মায়ামি ও নিউ জার্সির পাশাপাশি বোস্টন, গুয়াদালাহারা, হিউস্টন, কানসাস সিটি, লস অ্যাঞ্জেলেস, মেক্সিকো সিটি, মনতেরে, ফিলাডেলফিয়া, সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া, সিয়াটল, টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারের নামও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজকত্বের প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে।
নতুন বল উন্মোচন উপলক্ষে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচে ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’ ব্যবহার করতে পেরে তারা আনন্দিত। তার ভাষায়, পুরো টুর্নামেন্টে ‘ট্রিওন্ডা’ অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্তের অংশ হয়েছে, আর নতুন বলটি তিন আয়োজক দেশের ঐক্য ও ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার প্রতীক হয়ে থাকবে।
প্রযুক্তিগত দিক থেকেও বলটি আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন। এতে অ্যাডিডাসের ‘কানেক্টেড বল’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা ম্যাচ চলাকালে বলের গতিবিধির তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে সরবরাহ করতে সক্ষম। এই প্রযুক্তি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করবে এবং অফসাইডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দ্রুত ও নির্ভুলভাবে নিতে ম্যাচ কর্মকর্তাদের সহায়তা করবে।