আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনার মাঝমাঠের দুর্বলতার সুযোগ নেয় মিসর। ১৫তম মিনিটে মারওয়ান আত্তিয়ার ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ইয়াসের ইব্রাহিম।
গোল হজমের পর সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা। বক্সের ভেতর ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় দলটি। তবে লিওনেল মেসির নেওয়া শট দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবের।
এরপরও একের পর এক আর্জেন্টাইন আক্রমণ রুখে দেন শোবের। ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড, হুলিয়ান আলভারেজের শট এবং মেসির দূরপাল্লার প্রচেষ্টা সামলে প্রথমার্ধে ১-০ গোলের লিড ধরে রাখে মিসর।
দ্বিতীয়ার্ধে ৬০তম মিনিটে ভিএআর পর্যালোচনার পর মিসরের একটি গোল বাতিল হলেও ৬৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে তারা। মোহামেদ সালাহর শুরু করা দ্রুতগতির আক্রমণ থেকে হাইসেম হাসানের ক্রসে সহজ ফিনিশিংয়ে গোল করেন মোস্তাফা জিকো।
২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পরই ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা। ৭৯তম মিনিটে মেসির নিখুঁত ক্রসে হেড করে ব্যবধান কমান ক্রিস্তিয়ান রোমেরো।
চার মিনিট পরই সমতায় ফেরে আলবিসেলেস্তেরা। লাওতারো মার্তিনেসের তৈরি করা আক্রমণ থেকে বল পেয়ে মেসির শট গোলরক্ষকের হাত ছুঁয়ে ক্রসবারে লেগে জালে জড়ায়। স্কোরলাইন হয় ২-২।
ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর অপেক্ষায় থাকতেই আসে নির্ণায়ক মুহূর্ত। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে লাওতারো মার্তিনেসের অ্যাসিস্ট থেকে এনসো ফার্নান্দেস হেডে জয়সূচক গোল করেন।
দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নেয় আর্জেন্টিনা। দুর্দান্ত এই প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্নও বাঁচিয়ে রাখল বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।