বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে শারমিন আক্তারের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ২৬ জুলাই সাতক্ষীরা জেলায় হাসপাতাল পরিদর্শনকালে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শারমিন আক্তার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে একটি চাকরির আবেদন করেন। মন্ত্রী তাঁকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। শারমিনের গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পশ্চিম কৈখালী গ্রামে। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সরকার ও রাজনীতি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন।
নিয়োগপত্র পেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শারমিন আক্তার।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, “স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমার অবস্থা জানার পর নিজ উদ্যোগে আমাকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। এখন আমি আমার অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারব। এজন্য আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পাশাপাশি আপনাদের সবাইকেও আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।”
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, “শারমিন আক্তার খুবই অসহায়। তাঁর পরিবারে কর্মক্ষম কোনো সদস্য নেই। তিনি উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। তাঁর পরিবারের অবস্থা জানার পর আমি তাঁকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। তাঁকে ইডিসিএলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ছয় মাসের শিক্ষানবিশকাল শেষে তাঁর চাকরি স্থায়ী হবে। সবাই তাঁর জন্য দোয়া করবেন।”
এ সময় ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার দেশের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পাশে রয়েছে। প্রতিটি প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পুনর্বাসন নিশ্চিত করা হবে। সেই সঙ্গে তাঁদের যোগ্যতা ও মেধা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।