কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পর অনেকেই ভেবেছিলেন, সেটিই হবে লিওনেল মেসির শেষ বিশ্বকাপ। কিন্তু বয়সকে পেছনে ফেলে তিনি আবারও আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলেছেন। যদিও শিরোপা জিততে পারেননি, পুরো আসরে নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে আবারও মুগ্ধ করেছেন ফুটবলবিশ্বকে।
২০৩০ সালের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হলে মেসির বয়স হবে ৪৩ বছর। সেই বয়সে তার মাঠে নামার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে সমর্থকদের আশা, বাবাকে না পেলেও জাতীয় দলে দেখা মিলতে পারে তার বড় ছেলে থিয়াগো মেসির।
বর্তমানে ১৩ বছর বয়সী থিয়াগো ২০৩০ বিশ্বকাপের সময় ১৮ বছরে পা দেবে। সে যদি ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করে দ্রুত পেশাদার ফুটবলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে, তাহলে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
থিয়াগো বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামির যুব একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। ইতোমধ্যে ক্লাবটির অনূর্ধ্ব-১৪ দলের হয়ে শিরোপাও জিতেছে সে। তার পারফরম্যান্সের দিকে নজর রাখছেন আর্জেন্টাইন সমর্থকরা।
জন্মসূত্রে স্পেনের হয়ে খেলার সুযোগ থাকলেও থিয়াগো আগেই জানিয়ে দিয়েছে, তার স্বপ্ন আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে মাঠে নামা। বাবার পথ অনুসরণ করেই জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করতে চায় সে।
মেসি পরিবারের অন্য দুই সন্তান মাতেও ও চিরোও ফুটবল খেলছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, লিওনেল মেসির মতো কিংবদন্তির উত্তরসূরি হওয়া সহজ নয়। তাই থিয়াগোর ওপর অতিরিক্ত প্রত্যাশার চাপ না দিয়ে, তার স্বাভাবিক বিকাশের সুযোগ দেওয়াই হবে সবচেয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত।
২০৩০ বিশ্বকাপ এখনও কয়েক বছর দূরে। তবে এরই মধ্যে আর্জেন্টিনার ফুটবলপ্রেমীরা ভবিষ্যতের সম্ভাব্য এক নতুন অধ্যায়ের অপেক্ষায় দিন গুনতে শুরু করেছেন।