শনিবার দুপুরে কটিয়াদীতে আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউট স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা জানান। ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কিশোরগঞ্জ সফর উপলক্ষে এই পরিদর্শন করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, দেশীয় মাছের স্বাভাবিক উৎপাদন আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে, কারণ কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহার এবং মা মাছের প্রজননক্ষেত্র নষ্ট হওয়ায় তাদের অভয়াশ্রম প্রায় বিলীন হয়ে গেছে। ফলে মিঠা পানির অনেক মাছ এখন বিলুপ্তির পথে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাওর ও জলাভূমিতে সরকারি উদ্যোগে বড় গর্ত ও খাঁড়ি তৈরি করে মা মাছের নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করা হবে। সেখানে পাহারার ব্যবস্থা থাকবে, যাতে কেউ অভয়াশ্রম থেকে মাছ ধরতে না পারে।
তিনি বলেন, ‘মা মাছের নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত হলে প্রজনন বাড়বে, ডিমের পরিমাণ বাড়বে এবং ধীরে ধীরে মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে।’ এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে ‘মিঠা পানির মাছের অভয়াশ্রম’। আগামী মৌসুম থেকে এর বাস্তবায়ন শুরু হবে এবং ইতোমধ্যে পরিকল্পনা চূড়ান্ত ও বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-১ ও -২ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম ও মো. জালাল উদ্দিন, জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ, জেলা পরিষদের প্রশাসক ভিপি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল ও উপজেলা বিএনপির নেতারা।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে হাওরাঞ্চলে দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়বে এবং বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতিগুলোর সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।





