সোমবার (১০ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
পীর সাহেব দেওনা বলেন, জুলাই জাদুঘরে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের নামে বা অবয়বে যে ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত। যারা ইসলামি মূল্যবোধ, আকিদা ও শরিয়তের পক্ষে কথা বলেন, তাদের স্মৃতি সংরক্ষণের নামেও এমন কিছু করা উচিত নয়, যা ইসলামি বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
তিনি বলেন, শহীদ ও আন্দোলনকারীদের স্মৃতি সংরক্ষণে ভাস্কর্যের পরিবর্তে তথ্যচিত্র, আলোকচিত্র, লিখিত ইতিহাস, দলিলপত্র, জাদুঘরভিত্তিক প্রদর্শনীসহ শরিয়তসম্মত বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতে পারে। এতে ইতিহাস সংরক্ষিত হবে এবং ধর্মীয় মূল্যবোধও অক্ষুণ্ন থাকবে।
তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জুলাই জাদুঘর থেকে হেফাজত নেতাকর্মীদের ভাস্কর্য দ্রুত অপসারণের আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতে কোনো আলেম, ইসলামি ব্যক্তিত্ব বা ইসলামি দলের নেতাকর্মীর ভাস্কর্য না করার অনুরোধ জানান।
পীর সাহেব দেওনা আরও বলেন, স্বৈরাচারী আমলে ভাস্কর্যবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে অনেক উলামায়ে কেরাম কারাবরণ ও শাহাদাতবরণ করেছেন; অথচ সেই আলেমদেরই ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে—এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি সাহাবায়ে কেরামের উদাহরণ টেনে বলেন, তাঁদের কোনো ভাস্কর্য না থাকলেও তাঁদের জীবন ও আদর্শ ইতিহাসে সংরক্ষিত আছে।
তিনি ঐতিহাসিক শাপলা চত্বরে শহীদদের আত্মত্যাগের ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার এবং তাদের সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস জাতির সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানান।





