অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন সচিব জাকারিয়া, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মোঃ ফিরোজ সরকার, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর মোঃ শফিউল বারী এবং বিবিএসের মহাপরিচালক মোঃ শামীমুল হক।
প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান বলেন, ‘বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এ দেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও জনজীবনের সঙ্গে নৌপথের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। কিন্তু নৌপথের সম্ভাবনা আমরা এখনো পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারিনি।’ তিনি উল্লেখ করেন, সড়কপথে বাড়তি চাপ কমাতে এবং নৌপথকে বাণিজ্য, পণ্য ও যাত্রী পরিবহন এবং পর্যটনের জন্য কার্যকর করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নৌযান শুমারির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই শুমারির মাধ্যমে দেশের নৌযানের প্রকৃত সংখ্যা, ধরন, ব্যবহার ও মালিকানার নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যাবে, যা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, নীতিনির্ধারণ এবং নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। তিনি নৌপথের হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার কথাও স্মরণ করেন।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, সঠিক নীতি ও পরিকল্পনার জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্যের বিকল্প নেই। তিনি তথ্য সংগ্রহে কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থার কথাও জানান। তিনি নৌপথকে সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব পরিবহন মাধ্যম আখ্যায়িত করে এর উন্নয়নে সরকারের আন্তরিকতার ওপর জোর দেন এবং বিবিএসের পেশাদারিত্বের ওপর আস্থা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও বিবিএসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ শুমারি কার্যক্রমের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।





