সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (ইপিএস) দুই দেশের শ্রম অভিবাসনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক কল্যাণকর কাঠামো হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে কোরিয়া সরকারের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২০০৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৩৮,০৫৯ জন বাংলাদেশি কর্মী কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, কোটা ব্যবহারের সর্বোচ্চকরণ, রোস্টার ব্যবস্থাপনা, কর্মী নির্বাচন ও কোরিয়ান ভাষা প্রশিক্ষণে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাংলাদেশ আগ্রহী। তিনি কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতসহ অতিরিক্ত কিছু খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য কোরিয়া সরকারের সদয় বিবেচনা কামনা করেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধিদল প্রধান হান উনসুক জানান, ইপিএস পদ্ধতির মাধ্যমে কর্মী গ্রহণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তারা আন্তরিক। কর্মী নির্বাচন প্রক্রিয়া শতভাগ স্বচ্ছ করতে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
সাক্ষাতে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ, বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুল হকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





