এয়ারপোর্ট থানার ওসি সহিদুর রহমান জানান, স্থানীয় বাসিন্দারা ময়লার স্তূপে সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় খণ্ডিত পায়ের অংশ দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তা উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পায়ের অংশটি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ওসি বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় শনাক্ত সম্ভব হয়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় কেটে ফেলা পায়ের অংশ কেউ ময়লার স্তূপে ফেলে রেখে যেতে পারেন। তবে বিষয়টি নিশ্চিত নয়। তিনি জানান, ডিএনএ পরীক্ষা ও তদন্তের পর পায়ের অংশটির পরিচয় ও ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।


