আন্তর্জাতিক কফি সংস্থা (আইসিও) ২০১৪ সালে ১ অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক কফি দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০১৫ সালে ইতালিতে প্রথম আন্তর্জাতিক কফি দিবস উদযাপন করা হয়।
বিশ্বে কফি উৎপাদনে শীর্ষে রয়েছে ব্রাজিল। এরপর ভিয়েতনাম, কলম্বিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও ইথিওপিয়া উল্লেখযোগ্য উৎপাদক দেশ। আর কফি পানের ক্ষেত্রে ফিনল্যান্ডের মানুষ বিশ্বে সবচেয়ে এগিয়ে।
কফির ইতিহাস নিয়ে ইথিওপিয়ার নবম শতাব্দীর একটি লোকগাথা প্রচলিত রয়েছে। কথিত আছে, কালদি নামের এক মেষপালক বুনো কফি ফল খাওয়ার পর তার ছাগলের অস্বাভাবিক চঞ্চলতা লক্ষ্য করেন। পরবর্তী সময়ে ইয়েমেন ও অটোমান সাম্রাজ্যের মাধ্যমে কফি ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
বর্তমানে এসপ্রেসো, ক্যাপুচিনো, লাতে ও মোকাসহ বিভিন্ন ধরনের কফি বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। বাংলাদেশেও কফি সংস্কৃতির বিস্তার ঘটেছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে কফিশপগুলো তরুণদের আড্ডা, পড়াশোনা ও কর্মজীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।



