বৈঠকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন দপ্তর-সংস্থার কার্যক্রম নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় মন্ত্রণালয়ের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়।
‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭ (সিজন-২)’-এর প্রচার বাড়াতে ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি।
যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে বেকার যুবক-যুবতীদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা এবং উপজেলা পর্যায়ে প্রতিবছর নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজনেরও সুপারিশ করা হয়।
বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও মাননিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে কমিটি নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ঠেকাতে কার্যকর নজরদারির সুপারিশ করে।
এ ছাড়া নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ নির্মাণ এবং পর্যায়ক্রমে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
নারী ক্রীড়াবিদদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও হয়রানি প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
বৈঠকে কমিটির সদস্যরা ছাড়াও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিব, বিভিন্ন অধিদপ্তর ও সংস্থার প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




