অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৭ নভেম্বর মাদ্রাসাটিতে সহকারী মৌলভী শিক্ষক নিয়োগের সময় দুই পরীক্ষার্থীর মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকারী মাসউদুর রহমানকে নম্বরপত্র পরিবর্তন করে প্রথম দেখানো হয়। এরপর তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তৎকালীন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও পৌর মেয়র রফিউদ্দিন আহমেদ ফেরদৌসের বিরুদ্ধে প্রভাব খাটানোর অভিযোগও তোলা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, মাদ্রাসার সুপার আপত্তি জানালেও তাঁকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নিয়োগপত্রে স্বাক্ষর করানো হয়। পাশাপাশি অভিযুক্ত শিক্ষকের এনটিআরসিএ সনদ নিয়েও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারী ফিরোজ আহমেদ বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানালে তিনি মঠবাড়িয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নিতে বললেও দীর্ঘ এক বছরেও তদন্ত শেষ হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সহকারী মৌলভী শিক্ষক মাসউদুর রহমান। মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ওহিদুজ্জামান শাজাহান বলেন, তৎকালীন পরিচালনা কমিটির সভাপতি রফিউদ্দিন আহমেদ ফেরদৌস ভয়ভীতি দেখিয়ে ও প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগপত্রে তাঁর স্বাক্ষর নেন।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, অভিযোগপত্র এখনো তাঁর হাতে পৌঁছায়নি। কাগজপত্র পেলে এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানান তিনি।




