রোববার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড আয়োজিত ‘ঢাকাই মসলিন তৈরির কাঁচামাল ফুটি কার্পাস তুলার জাত উন্নয়ন সংক্রান্ত সেমিনার’-এ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। একই সঙ্গে পুনরুদ্ধারকৃত মসলিন তৈরির প্রযুক্তি দ্রুত ও কার্যকরভাবে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের কাছে হস্তান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাঁত বোর্ডের গবেষণায় ফুটি কার্পাস তুলার জাত ও আঁশের মানে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এখন মূল দায়িত্ব হলো দক্ষ তাঁতি, উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের যুক্ত করে এই প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী মসলিনের টেকসই উৎপাদন, মান বজায় রেখে বাজারজাতকরণ এবং রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টিতে মন্ত্রণালয় থেকে গবেষকদের সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হবে।
তাঁতশিল্পের প্রসারে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক ১৯৭৭ সালে তাঁত বোর্ড প্রতিষ্ঠা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার তাঁত ব্যাংক পরিকল্পনার কথা স্মরণ করে প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক তাঁতিদের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির তাগিদ দেন। তিনি বলেন, মসলিনের ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও অর্থনীতির বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ জাকির হোসেন এবং মিসরের কটন রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রধান গবেষক ড. আহমেদ মোহাম্মদ আবদেলমোঘনি আবদুলবাকিসহ দেশি-বিদেশি গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।



