সোমবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর শেরাটন হোটেলে মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও ইউনিসেফের যৌথ আয়োজনে জাতীয় সংলাপ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। কর্মশালার শিরোনাম ছিল ‘মাঠপর্যায় থেকে সংস্কার: বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রযাত্রা’।
প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিতে হবে: ববি হাজ্জাজ
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার প্রতিটি ক্ষেত্র পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। একটি ক্ষেত্রে উন্নয়ন করে অন্য ক্ষেত্রগুলো উপেক্ষা করলে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়। তাই মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামতের ভিত্তিতে সমন্বিত সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।
তিনি জানান, ২০২৮ সালে নতুন পাঠ্যক্রম চালুর লক্ষ্যে শিখনফলভিত্তিক ও শিশুবান্ধব শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ চলছে। বাংলা, গণিত ও ইংরেজিতে দক্ষতা বৃদ্ধি, খেলনাভিত্তিক শিক্ষা, ডিজিটাল শিক্ষাসামগ্রী এবং ব্যবহারিক শিখনে গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষকদের নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, পদায়ন ও পেশাগত উন্নয়নকে সমন্বিত করে শিক্ষক নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে।
আরও পড়ুন
ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, আসবাবপত্র, শৌচাগার ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থা শিশুদের উপযোগী করতে হবে। নদীভাঙনপ্রবণ ও পাহাড়ি অঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকার ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিরাপদ ও শিশুবান্ধব শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি শিশুর শিক্ষার সুযোগ, নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ ও ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের উপযোগী দক্ষতা অর্জনেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. মোক্তার আলী, রেজা কিবরিয়া ও বীথিকা বিনতে হোসাইন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী গিয়াস উদ্দিন এবং গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী। সংলাপে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।