ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, এমপি, সরকারি জলমহাল ইজারা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইজারা প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। উন্মুক্ত ও অনলাইনভিত্তিক ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রকৃত মৎস্যজীবী সমবায় সমিতিগুলোকে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সরকারি জলমহাল ইজারা প্রদানসংক্রান্ত কমিটির ৯২তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি। তিনি প্রকৃত ও প্রান্তিক মৎস্যজীবীদের স্বার্থ রক্ষা এবং কোনো ধরনের অন্যায় তদবির ছাড়াই স্বচ্ছতার সঙ্গে ইজারা-সংক্রান্ত সুপারিশ করার জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেন।
সভায় ২০ একরের বেশি আয়তনের সরকারি জলমহাল ১৪৩৩ থেকে ১৪৩৮ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত ছয় বছরের জন্য ইজারা দেওয়ার প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হয়। চার জেলার ৩৪টি জলমহালের প্রস্তাবসহ বিভিন্ন জলমহাল ও পুকুরের মেয়াদসংক্রান্ত বিষয় আলোচনায় আসে। যাচাই-বাছাই শেষে সর্বসম্মতিক্রমে ২৫টি জলমহাল ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ইজারার জন্য ৩৬ জেলার ৮২৮টি জলমহালে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ২৯ জেলার ৭৮৬টি জলমহালের বিপরীতে ৪১১টি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি অনলাইনে আবেদন করে। এর আগে ২৫ জেলার ১৭৪টি জলমহালের প্রস্তাব কমিটির ৮৯তম, ৯০তম ও ৯১তম সভায় উপস্থাপন করা হয়েছিল।
সভায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. এমদাদুল হক চৌধুরী, সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসকেরা উপস্থিত ছিলেন। কয়েকটি জেলার জেলা প্রশাসক অনলাইনে সভায় যুক্ত হন।




