বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে টেকনাফ উপজেলার রঙ্গীখালী এলাকার দুর্গম পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে। সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকার গভীর পাহাড়ে প্রায় ১২০ জন রোহিঙ্গা ও বাঙালি নাগরিককে ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি সশস্ত্র মানবপাচারকারী দল জিম্মি করে রেখেছে।
এ তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন, বিজিবি ও স্থানীয় পুলিশের সমন্বয়ে যৌথ আভিযানিক দল গঠন করা হয়। যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পাচারকারীরা এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ শুরু করে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়। এ সময় বাঁ কাঁধে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন তিতাস শেখ। তাকে প্রথমে নিকটস্থ হাসপাতালে ও পরে রামু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, একটি দেশীয় তৈরি বন্দুক ও চার রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া পাচারকারী চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক এবং জিম্মি থাকা ৫৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী তরুণ এই সেনাসদস্যের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।



