ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ম্যাচ চলাকালীন ও শেষ বাঁশির পর শত শত সমর্থক রাস্তায় নেমে আসেন। অনেককে আতশবাজি ও ফ্লেয়ার জ্বালাতে, চলন্ত ও পার্ক করা যানবাহনের ওপর উঠতে এবং প্রধান সড়কে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করতে দেখা যায়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মেট্রোপলিটন পুলিশ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট মোতায়েন করে। পুলিশ ঢাল নিয়ে অবস্থান নেয় এবং সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। সংঘর্ষে অন্তত একজন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, বিশৃঙ্খলার ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে আহত এক পুলিশ সদস্যকে সড়কে পড়ে থাকতে এবং সহকর্মীদের নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে চিকিৎসা নিতে দেখা যায়।
অন্যদিকে, ম্যাচকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সহিংসতার আশঙ্কায় প্যারিসে ২০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন করা হলেও সেখানে বড় ধরনের কোনো অস্থিরতা দেখা যায়নি। বরং সবচেয়ে বড় বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটে লন্ডনে।
ফ্রান্সের কাছে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে মরক্কোর বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়। আফ্রিকার শেষ প্রতিনিধি হিসেবে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পর সমর্থকদের একাংশের উচ্ছ্বাস ও ক্ষোভ সংঘর্ষে রূপ নিলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয়।