ঢিলেঢালা পোশাকেই মিলবে আরাম
বর্ষাকালে আঁটসাঁট পোশাকের পরিবর্তে ঢিলেঢালা কুর্তি, ফ্রক স্টাইলের ড্রেস বা আরামদায়ক টপ বেছে নেওয়াই ভালো। এতে পোশাক ভিজলেও অস্বস্তি কম হয় এবং চলাফেরাও সহজ থাকে।
লেয়ারিং হতে পারে স্মার্ট সমাধান
টি-শার্টের সঙ্গে হালকা শ্রাগ, কোট বা জ্যাকেট ব্যবহার করতে পারেন। প্রয়োজন হলে সহজেই খুলে ব্যাগে রাখা যায়, আবার আবহাওয়া অনুযায়ী পরাও যায়।
শাড়ি পরলে ফেব্রিক নির্বাচন জরুরি
যারা নিয়মিত শাড়ি পরেন, তারা বর্ষায় ভারী সুতি কাপড়ের পরিবর্তে জর্জেট, সিল্ক বা হালকা সিনথেটিক কাপড়ের শাড়ি বেছে নিতে পারেন। এসব কাপড় দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং দীর্ঘ সময় ভেজা থাকে না।
দ্রুত শুকায় এমন কাপড় বেছে নিন
বর্ষাকালে এমন ফেব্রিক ব্যবহার করা উচিত, যা পানি শোষণ কম করে এবং দ্রুত শুকিয়ে যায়। শিফন, জর্জেট, সিনথেটিক বা হালকা সুতি কাপড় এ সময়ের জন্য বেশ উপযোগী। দীর্ঘ সময় ভেজা পোশাক পরলে ত্বকে ফাঙ্গাল সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
ভারী কাজের পোশাক এড়িয়ে চলুন
জমকালো এমব্রয়ডারি বা ভারী নকশার পোশাক বর্ষায় ব্যবহার না করাই ভালো। এসব পোশাক ভিজলে ওজন বেড়ে যায়, শুকাতে সময় লাগে এবং বহন করাও কষ্টকর হয়ে পড়ে।
উজ্জ্বল রঙে আনুন প্রাণবন্ত লুক
মেঘলা দিনে চারপাশের পরিবেশ কিছুটা ধূসর দেখায়। তাই কালো বা গাঢ় রঙের পরিবর্তে হলুদ, কমলা, আকাশী নীল, সবুজ বা গোলাপির মতো উজ্জ্বল রঙের পোশাক বেছে নিলে লুক আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
বর্ষার মোটিফে ভিন্নতা
কদম ফুল, বৃষ্টির ফোঁটা, মেঘ কিংবা প্রকৃতিনির্ভর নকশার পোশাক বর্ষার আবহের সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায় এবং ফ্যাশনে যোগ করে মৌসুমি আবেদন।
পোশাকের সঙ্গে যেসব বিষয়েও নজর রাখবেন
- জলরোধী বা দ্রুত শুকানো স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।
- সঙ্গে ছোট একটি ছাতা বা রেইনকোট রাখুন।
- কাপড়ের ব্যাগের বদলে ওয়াটারপ্রুফ ব্যাগ ব্যবহার করলে প্রয়োজনীয় জিনিস নিরাপদ থাকবে।
- অতিরিক্ত একটি শুকনো পোশাক সঙ্গে রাখলে দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে কাজে লাগবে।
বর্ষা মানেই ফ্যাশনে আপস নয়। সঠিক কাপড়, আরামদায়ক নকশা এবং উজ্জ্বল রঙের সমন্বয়ে এই মৌসুমেও নিজেকে রাখা যায় স্টাইলিশ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়। একটু সচেতন হলেই বৃষ্টিভেজা দিনগুলো হয়ে উঠতে পারে আরও প্রাণবন্ত ও আরামদায়ক।