মঙ্গলবার ঢাকার বিয়াম ফাউন্ডেশনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে সহযোগিতা করেছে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) বাংলাদেশ এবং কারিগরি সহায়তা দিয়েছে ভিএসও বাংলাদেশ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা এবং তাদের জন্য টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাই সংশোধিত যুবনীতির প্রধান লক্ষ্য হবে।
তিনি বলেন, সবার মতামতের ভিত্তিতে একটি বাস্তবধর্মী ও মানবিক যুবনীতি প্রণয়ন করা হবে। পাশাপাশি তরুণদের আস্থা অর্জনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে শিগগিরই একটি ‘যুব কাউন্সিল’ গঠন করা হবে, যেখানে দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীল উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের প্রতিনিধি ক্যাথরিন ব্রিন কামকং বলেন, দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে তরুণদের ভূমিকা দিন দিন বাড়ছে। তাই নতুন যুবনীতিতে দেশের সব অঞ্চল ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর তরুণদের মতামত ও প্রত্যাশার প্রতিফলন নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে কার্যকর বাস্তবায়ন ব্যবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোতাহের হোসেন, যুব অনুবিভাগের যুগ্মসচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান, সুশীল সমাজ এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তরুণ প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
কর্মশালায় জানানো হয়, জাতীয় যুবনীতি ২০১৭ সংশোধনের অংশ হিসেবে বিভিন্ন অংশীজনের মতামত, তথ্য-উপাত্ত ও সুপারিশ সংগ্রহ করা হবে। এসব সুপারিশের ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাহিদা ও বৈশ্বিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন যুবনীতি প্রণয়ন করা হবে।