মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় বগুড়া শহরের সাতমাথা জিরো পয়েন্টে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের সামনে জেলা এনসিপি আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, গত ১৭ বছরে ব্যবসায়ীরা নানা ধরনের চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হয়েছেন। তাঁর দাবি, সে সময় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কারণে অনেক ব্যবসায়ী স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেননি।
তিনি বলেন, ‘অনেক ব্যবসায়ী জুলাই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন এই প্রত্যাশায় যে নতুন বাংলাদেশে আর চাঁদা দিতে হবে না। কিন্তু ৫ আগস্টের পর তারা দেখলেন, আগের চেয়েও বেশি চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। আগে যদি ১০০ টাকা দিতে হতো, এখন ২০০ টাকা দিতে হচ্ছে। এটাই কি নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা ছিল?’
এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, শহীদ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে আন্দোলন শুরু করার পর তাঁদের ‘হাদী ব্যবসায়ী’ ও ‘জুলাই ব্যবসায়ী’ বলে সমালোচনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা হাদী ব্যবসায়ী, আমরা জুলাই ব্যবসায়ী। কিন্তু আমরা চাঁদাবাজির ব্যবসায়ী নই। আমরা গুন্ডাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই না, সন্ত্রাসের রাজনীতিও করি না।’
পথসভায় তিনি শহীদ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবি করেন এবং দেশে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।