সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘২০১৪ সালের নির্বাচন ছিল ভোটারবিহীন, ২০২৪ সালের নির্বাচন ছিল ডামি। এরপর যে নির্বাচন হয়েছে, সেখানে জনগণ গণভোটে রায় দিয়েছে। দুই পক্ষেরই শপথ নেওয়ার কথা ছিল। আমরা বিরোধী দল আমাদের দায়িত্ব পালন করেছি, কিন্তু সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সংবিধানে যদি গণভোটের বিধান না থাকে, তাহলে ২০২৬ সালের নির্বাচনেরও কোনো বিধান নেই। সে ক্ষেত্রে সংবিধান অনুযায়ী কোনো সরকারও নেই, বিরোধীদলও নেই। জনগণের রায়ের এক অংশ মানা হবে, আরেক অংশ উপেক্ষা করা হবে, তা হতে পারে না।’
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। সংসদ থেকে আজকের ওয়াকআউট সেই আন্দোলনেরই অংশ।’
এর আগে সংসদে সংবিধান সংশোধন–সংক্রান্ত বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপিত হলে তা প্রত্যাখ্যান করে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন।
এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম বলেন, সংসদ থেকে ওয়াকআউট করা বিরোধী দলের গণতান্ত্রিক অধিকার। তিনি জানান, সংবিধান সংশোধন কমিটি কেবল সুপারিশ প্রণয়ন করবে এবং এ বিষয়ে সব রাজনৈতিক পক্ষকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে চায় সরকার।