বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) আমেনা বেগম। প্রধান অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আর্ন প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো যুবসমাজকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। তিনি বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার হচ্ছে যুব ও যুব নারীদের দোরগোড়ায় দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পৌঁছে দেওয়া।
প্রকল্পের মানসম্মত বাস্তবায়নে কার্যকর মনিটরিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ শেষে দেশীয় সনদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো সনদ দেওয়া যায় কি না, তা বিবেচনা করা উচিত। একই সঙ্গে প্রতিটি প্রশিক্ষণ সেশনে নীতি-নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।
বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় পরিচালিত এ প্রকল্পের আওতায় ৯ লাখ যুব-যুবতীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশই নারী। সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তাদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করাই প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য।
প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ এবং বিশ্বব্যাংকের অনাপত্তির ভিত্তিতে ব্র্যাক, সেভ দ্য চিলড্রেন, কেয়ার বাংলাদেশ এবং ঢাকা আহছানিয়া মিশনকে প্রকল্পটির সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন, প্রকল্প পরিচালক কাজী মোখলেছুর রহমান, বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ ও টাস্ক টিম লিডার সৈয়দ রাশেদ আল-জায়েদ জশ, অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) ড. মেরিনা নাজনীনসহ মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।