শিল্পনগরী নরসিংদীতে পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ায় অনেক কারখানার কর্মঘণ্টা স্বাভাবিক সময়ের এক-চতুর্থাংশে নেমে এসেছে। ফলে উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
অন্যদিকে, গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে শিল্পসমৃদ্ধ নারায়ণগঞ্জেও। আবাসিক, পরিবহন ও শিল্প খাতজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ডাইং ও তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে উৎপাদন প্রায় ২০ শতাংশে নেমে এসেছে। জেলায় গ্যাসনির্ভর প্রায় সাড়ে ৫০০ শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে গ্যাস সংকটের মধ্যেও কিছু সিএনজি ফিলিং স্টেশনে নিয়মবহির্ভূতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ কন্টেইনারে গ্যাস ভরার অভিযোগ করেছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলেও তাদের অভিযোগ।
গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় নারায়ণগঞ্জের ৩৩টি সিএনজি ফিলিং স্টেশনেও কার্যত অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সিএনজিচালিত যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা।
তিতাস গ্যাসের নারায়ণগঞ্জ জোনের উপমহাব্যবস্থাপক মো. মনজুর আজিজ মোহন বলেন, সাম্প্রতিক গ্যাস সংকট সাময়িক। আশা করা হচ্ছে, আগামী ৮ থেকে ১০ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।





