প্রচলিত বর্ণনা মতে, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) জীবনের শেষ দিকে অসুস্থ হলে সফর মাসের শেষ বুধবার তাঁর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়। সে থেকেই দিনটির প্রচলন। তবে এই বর্ণনার নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে।
এ দিনটিতে অনেক মুসল্লি নফল নামাজ, দোয়া ও দান-সদকার মতো ইবাদত করেন। কোথাও কোথাও ধর্মীয় সভা ও মিলাদ মাহফিলেরও আয়োজন হয়। তবে ইসলামি চিন্তাবিদদের একাংশ মনে করেন, কোরআন ও সুন্নাহয় এই দিনকে পৃথকভাবে বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার যথেষ্ট দলিল নেই।
এদিকে আজ উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে এটি সরকারি সাধারণ ছুটি নয়, বরং ঐচ্ছিক ছুটির আওতাভুক্ত। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আজ সারা দেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।



