মহেশখালীর সামিট এলএনজি টার্মিনালে জাহাজটি নোঙর করতে না পারায় সেখান থেকে সরবরাহ দৈনিক ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে নেমে ১০০ মিলিয়ন ঘনফুটে এসেছে। অন্যদিকে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকেও আংশিক সরবরাহ চলায় দুই টার্মিনাল মিলিয়ে জাতীয় গ্রিডে মোট সরবরাহ প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুটে দাঁড়িয়েছে। এতে গ্রাহক পর্যায়ে তীব্র গ্যাস সংকট তৈরি হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানান, ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি চালু না হওয়া পর্যন্ত বিকল্প নেই। প্রকৌশলীরা দ্রুত মেরামতের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।


