অভিযোগ রয়েছে, ৫ আগস্টের পর ভারতে চলে যাওয়া আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে এবং হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ লেনদেনেও তিনি জড়িত। তবে এসব অভিযোগের স্বপক্ষে ব্যাংক নথি বা নির্ভরযোগ্য দলিল প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।
এ ছাড়া ভ্রমণ ব্যবসার নামে অর্থ আত্মসাৎ, জমি বেচাকেনায় প্রতারণা এবং সরকারি জমির মালিকানা দেওয়ার কথা বলে অর্থ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে নির্মল ও তার ভাই কমলের বিরুদ্ধে।
ডেমরার ডগাইর মৌজায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রায় ১ দশমিক ৭১ একর জমি নিয়ে প্রায় ৫০ কোটি টাকার অভিযোগের বিষয়েও দুর্নীতি দমন কমিশনে মামলা চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, নির্মল কৃষ্ণ সরকারের বিরুদ্ধে মন্দিরের অর্থ ও স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা। এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্মল কৃষ্ণ সরকার ও তার ভাই কমলের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



