তিনি বলেন, প্রান্তিক খামারিদের সমৃদ্ধ করতে খাল খননের পাশাপাশি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদভিত্তিক খামার গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বকনা বাছুর লালন-পালনের মাধ্যমে সুফলভোগীদের ভবিষ্যতে খামারিতে পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে।
দৌলতপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে মানিকগঞ্জ, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও শরীয়তপুরের নদীবিধৌত চরাঞ্চলের সুফলভোগী খামারিদের মধ্যে বকনা বাছুর ও পশুখাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে খাল খননসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে ক্ষুদ্র খামারিরা উৎপাদন বাড়িয়ে নিজেদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে পারবেন।
এ সময় তিনি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন এবং নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইমাম উদ্দীন কবীর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষে ২৫ জন সুফলভোগীর মধ্যে বকনা বাছুর ও পশুখাদ্য বিতরণ করা হয়।




