বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের জরুরি নির্দেশনায় বুধবার পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এ ব্যবস্থা নেয়। বিষয়টি জানার পর মন্ত্রী নিজে ভুক্তভোগী গ্রাহকের সঙ্গে ফোনে কথা বলে ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।
মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর মাসের ২৩৫ ইউনিটের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার বিল ইস্যু করা হয়েছিল।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মিটার পরিবর্তনের সময় অসাবধানতাবশত সিল নম্বরের অঙ্কগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পোস্টিং হওয়ায় এই অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়। পরে বিলটি সংশোধন করে সঠিক বিল গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সেবার যেকোনো অভিযোগ দ্রুত গুরুত্বের সঙ্গে নিষ্পত্তির আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।



