আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আতিশি, আম আদমি পার্টির দিল্লি শাখার প্রধান সৌরভ ভরদ্বাজ, সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদব ও অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নেহা বোরা ছিলেন। কংগ্রেস কর্মী ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সদস্যরাও বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার চেষ্টা করেন।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তবে দিল্লি পুলিশ জানায়, কর্মসূচির জন্য কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। বিক্ষোভকারীরা জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে সিইসির পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় বিপুলসংখ্যক মানুষের নাম বাদ পড়েছে। কয়েকজন বিক্ষোভকারী নিজেদের ও পরিবারের সদস্যদের নাম তালিকায় না থাকার অভিযোগও করেন।
তবে নির্বাচন কমিশন এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা দিয়ে পুরো সংশোধন প্রক্রিয়ার চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে। সিইসি জ্ঞানেশ কুমার এ বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।
বিক্ষোভের আগে যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করে পুলিশ। বিভিন্ন সড়কে ব্যারিকেড বসানো হয় এবং বিক্ষোভকারীদের নির্ধারিত এলাকায় যেতে বাধা দেওয়া হয়। এছাড়া যন্তর মন্তর এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস




