শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আল-বেরুনী মীর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও বিমানবন্দর থানার এসআই মাজেদুল ইসলাম পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
রিমান্ড আবেদনে বিমানবন্দরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির পেছনে কোনো বিশেষ মহলের ইন্ধন ছিল কি না, তা জানতে আখতারুজ্জামানকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করা হয়।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। বর্তমানে তিনি আদালতের হাজতখানায় রয়েছেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ১ অক্টোবর মদিনা থেকে আসা বিজি-৩৩৮ ফ্লাইটের লাগেজ পেতে বিলম্ব হওয়ায় বিমানবন্দরে অসন্তোষ দেখা দেয়। এ সময় বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ ঘটনাস্থলে গেলে আখতারুজ্জামান তাকে গালাগাল ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, সংরক্ষিত এলাকায় ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়ায় এক নিরাপত্তা কর্মকর্তার সঙ্গে তিনি অসদাচরণ করেন এবং সাধারণ যাত্রীদের জমজমের পানির বোতল ছুড়ে ফেলেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও মারমুখী আচরণের অভিযোগ রয়েছে।




