সূত্রের ভাষ্য, হামলার আগে শাহআলী থানা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ ওরফে শুটার লেলিন এবং বিএনপি নেতা মোহাম্মদ হানিফ মিয়ার কার্যালয়ের সামনে লোকজন জড়ো হন। পরে তারা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা চালান। হামলার সময় হানিফ মিয়া, মোস্তফা জগলুল পাশা ওরফে পাপেল ও শুটার লেলিনসহ কয়েকজনকে ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা যায় বলে সূত্র জানিয়েছে।
রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল বলেও বিএনপির মহানগর উত্তর শাখার কয়েকজন নেতার দাবি। তবে দলটির কিছু নেতাকর্মী মিষ্টিকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ফাঁসানোর অভিযোগ করেছেন।
ঘটনার তদন্তে মিষ্টিসহ স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতার নাম উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি, যুবদল ও পশ্চিম ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত কেউ ছাড় পাবে না। তবে বহিষ্কৃত নেতা হাফিজুর রহমান শুভ্র হামলার সময় তিনি বিমানবন্দরে ছিলেন বলে দাবি করেছেন।
রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মোহাম্মদ হানিফ মিয়াসহ এ পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইলফোনের তথ্য ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে হামলায় অংশ নেওয়া ও নির্দেশনা দেওয়ার অভিযোগে আরও কয়েকজনকে শনাক্ত করেছে বলে জানা গেছে।




