শনিবার সচিবালয়ে ফলের সরবরাহ ও বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ী ও সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সভায় ব্যবসায়ীরা জানান, সরবরাহ ঘাটতির কারণে মাল্টার দাম বেড়েছে। কোনো কোনো সপ্তাহে দেশে মাত্র ১২ থেকে ২৯ কনটেইনার মাল্টা এসেছে, যেখানে চাহিদা মেটাতে প্রতিদিন প্রায় ১৫ কনটেইনার প্রয়োজন। উচ্চ শুল্ক, পরিবহন ও বন্দর ব্যয় এবং আগের চালানে লোকসানের কারণে আমদানি কমেছে বলেও জানান তারা।
ব্যবসায়ীদের বক্তব্যের পর মাল্টার শুল্কসংক্রান্ত বিষয় পর্যালোচনার আশ্বাস দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। অস্বাভাবিক দামে বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
খেজুরের শুল্ক নিয়ে সিদ্ধান্ত চলতি সপ্তাহে
আসন্ন চাহিদা বিবেচনায় ব্যবসায়ীদের দ্রুত খেজুর আমদানির প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। খেজুরের শুল্ক-কর নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত চলতি সপ্তাহেই জানানো হবে বলে জানান তিনি।
খেজুরের অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু নির্ধারণের জটিলতা নিরসনে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক করবে। আন্তর্জাতিক বাজারদর ও উৎসমূল্য যাচাই করে যৌক্তিক নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের পর এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) প্রস্তাব পাঠানো হবে।
মন্ত্রী বলেন, শুল্কায়ন ব্যবস্থায় ব্যবসায়ীরা যেন অযৌক্তিক চাপের মুখে না পড়েন, আবার পণ্যের মূল্য কম দেখিয়ে রাজস্ব ফাঁকির সুযোগও যেন না থাকে। এ ক্ষেত্রে সরকার ও ব্যবসায়ী উভয় পক্ষকে স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।




