রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬-এর দ্বিতীয় দিনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন। বর্তমানে যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশের ৯৯ দশমিক ৮ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে।
সারাহ কুক বলেন, বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের কৌশলগত ও বিশ্বস্ত অংশীদার। দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কও শক্তিশালী। অর্থ, ফ্যাশন, শিক্ষা ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে ব্রিটিশ কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে ভূমিকা রাখছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণকে মসৃণ ও টেকসই করতে যুক্তরাজ্য কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিমের মাধ্যমে বাণিজ্য সুবিধা অব্যাহত থাকবে।
নিরাপত্তা সহযোগিতা, অর্থনৈতিক ও সাইবার নিরাপত্তা এবং জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ ধরে রাখার কথা জানান তিনি।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে সারাহ কুক বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, আবহাওয়ার পরিবর্তন ও চরম আবহাওয়ার প্রভাব বাংলাদেশে ইতোমধ্যে দৃশ্যমান। এ বিষয়ে দুই দেশের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।




