সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবীরের আদালত এ আদেশ দেন। জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৯ কোটি ৮৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আদালতে হাজির করার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শাজাহান খান। এ সময় এনসিপি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারা জামায়াতের সঙ্গে মিশে জামায়াতে ইসলামী হয়ে গেছে।’
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসিবুর রহমানের নামে ১০ কোটি ৭৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৪৭ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ পাওয়া গেছে। পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়সহ তাঁর জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৯ কোটি ৮৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে বলে দুদকের অনুসন্ধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদকের অভিযোগ, শাজাহান খান নৌপরিবহনমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রভাব ও আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে ছেলেকে এসব সম্পদ অর্জনে সহযোগিতা করেছেন। তবে অভিযোগগুলো এখনো আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুর রহমান বাদশাহ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শাজাহান খানের বৈধ সম্পদের পরিমাণ প্রায় দেড় কোটি টাকা এবং তিনি নিয়মিত আয়কর দিয়ে আসছেন। মামলায় উল্লেখ করা একটি ফ্ল্যাট ব্যাংকঋণের মাধ্যমে কেনা বলেও দাবি করেন তিনি।
২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি দুদকের উপপরিচালক কমলেশ মণ্ডল বাদী হয়ে মামলাটি করেন। ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সম্পদ ও আয়সংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধানের পর মামলাটি করা হয়।




