বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ইন্দোনেশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ আনিস মাত্তার সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের মধ্যে বছরে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হলেও ইন্দোনেশিয়া থেকে বাংলাদেশের আমদানি প্রায় ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। বিপরীতে বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় মাত্র প্রায় ৫৬ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে। বাজারে প্রবেশের বাধা দূর করা গেলে বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি করা সম্ভব।
বৈঠকে বাংলাদেশি ওষুধ, ভ্যাকসিন ও আলুর বাজার সম্প্রসারণ, পিটিএ ও সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি, জ্বালানি সহযোগিতা এবং হালাল সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতি নিয়ে আলোচনা হয়। ইন্দোনেশিয়ার বাজারে ওষুধ রপ্তানি বাড়াতে নিবন্ধনসহ প্রক্রিয়াগত জটিলতা কমানোর আহ্বান জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
পিটিএ নিয়ে চার দফা আলোচনা হলেও তৈরি পোশাকের শুল্কমুক্ত বাজারসুবিধা নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে ২০২৩ সাল থেকে আলোচনা থমকে আছে। আগামী ১৪ থেকে ১৮ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনীর সময় মন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠকের প্রস্তাব দেন দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এ ছাড়া বাংলাদেশের সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং টার্মিনাল পরিচালনা, বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আমদানি, বাংলাদেশি আলুর রপ্তানি জটিলতা দূরীকরণ এবং হালাল পণ্যের বাণিজ্য বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। দুই পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়িয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করে।




