বৃহস্পতিবার ঢাকায় খাদ্য অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ হলরুমে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিট (এফপিএমইউ) আয়োজিত আতপ চালের ভোগ ও চাহিদাবিষয়ক গবেষণার ইনসেপশন ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ভাত বাংলাদেশের মানুষের প্রধান খাদ্য। তাই মানুষের খাদ্যাভ্যাস, চালের চাহিদা ও ভোগের ধরন সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ করে ভবিষ্যৎ খাদ্যনীতি প্রণয়ন করা প্রয়োজন। বিশেষ করে অঞ্চলভেদে আতপ চালের ব্যবহার ও চাহিদা নিয়ে গবেষণার ফল খাদ্য পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব শুধু খাদ্যের মজুদ নিশ্চিত করা নয়; মানুষের প্রয়োজন, পছন্দ ও পুষ্টিগত চাহিদাও বিবেচনায় নিতে হবে। আতপ চাল বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী খাবার ও পিঠা তৈরিতে ব্যবহৃত হলেও সারা দেশে এর ভোগের প্রকৃত চিত্র জানা প্রয়োজন।
আতপ ও সিদ্ধ চালের পুষ্টিগত পার্থক্য নিয়ে গবেষকদের আরও বিশদ গবেষণার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, চাল প্রক্রিয়াজাতকরণ, মিলিং ও রান্নার পদ্ধতির কারণে পুষ্টিমান কতটা পরিবর্তিত হয়, তা জানা দরকার।
ওয়ার্কশপে খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, এফপিএমইউ-এর মহাপরিচালক মো. মাহবুবুর রহমানসহ সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকরা অংশ নেন।
আলোচকরা বলেন, অঞ্চলভেদে মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও চালের পছন্দের পার্থক্য বিবেচনায় আতপ চালের ভোগ, ভোক্তার পছন্দ, পুষ্টিমান ও ভবিষ্যৎ চাহিদার তথ্য খাদ্যনিরাপত্তা ও পুষ্টি পরিকল্পনায় সহায়ক হবে।




