বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে মরদেহ উদ্ধারের সময় তাজমিনের গলায় গামছা প্যাঁচানো ছিল। ঘটনাস্থল থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ভ্যানিটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যার ধারণা করছে পুলিশ।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, চার দিন আগে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল তাজমিন। পরে সে কক্সবাজারে যায়। ফেরার পথে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে নেমে ঘটনার আগের রাতে বাবাকে লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ধানখেতে অটোরিকশার পাশে এলোমেলো ধানগাছ ও ধস্তাধস্তির মতো চিহ্ন দেখা গেছে। পরে এক বাসিন্দা মরদেহ দেখতে পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, অটোরিকশাটির নিবন্ধন থাকায় সেটির সূত্র ধরে তদন্ত চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় তাজমিনের বাবা অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন।
তাজমিন কুমিল্লা নগরের ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। কক্সবাজার থেকে ফেরার পর সে কীভাবে নির্জন ধানখেতে পৌঁছাল, কারা তার সঙ্গে ছিল এবং হত্যার কারণ কী—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।




