বৃহস্পতিবার চীনা দূতাবাস আয়োজিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সফরপূর্ব সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এবারের চীন সফর দুই দেশের সম্পর্ক জোরদার এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।
ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, চীনের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, অবকাঠামো, শিল্পায়ন, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন থেকে বাংলাদেশের অনেক কিছু শেখার রয়েছে। চীনের সরকারি কর্মকর্তা, উদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে দেশটির উন্নয়ন অগ্রযাত্রা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা নেওয়ার জন্য তিনি প্রতিনিধি দলের সদস্যদের আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, অর্থনীতিতে বৈচিত্র্য আনা, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প গড়ে তোলা এবং তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে চীনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের কাজে আসতে পারে।
দুই দেশের জনগণের যোগাযোগ সহজ করা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো এবং প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে আগ্রহী বলেও জানান জনপ্রশাসন উপদেষ্টা।
অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




