চট্টগ্রাম জেটি ও সাইলো পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরে তিনি দেওয়ানহাট সিএসডির গুদাম পরিদর্শন এবং হালিশহর সিএসডির সম্মেলনকক্ষ উদ্বোধন করেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, পর্যাপ্ত মজুত থাকায় রমজানে খাদ্য সরবরাহে সংকট হবে না বলে তিনি আশাবাদী। তবে বাড়তি চাহিদা, পরিবহন ব্যয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা বিবেচনায় রেখে আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে।
তিনি বলেন, খাদ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণের প্রতিটি ধাপে সমন্বয় নিশ্চিত করা গেলে সময়ক্ষেপণ, পরিবহন ব্যয় ও অপচয় কমানো সম্ভব। আমদানি ও অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং সরবরাহব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
চট্টগ্রাম জেটি ও সাইলো পরিদর্শন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অবকাঠামোর কার্যকারিতা, প্রকল্পের অগ্রগতি ও সংরক্ষণব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা পর্যালোচনা করা হয়েছে। গুদাম রক্ষণাবেক্ষণ, খাদ্যের গুণগত মান পরীক্ষা, যন্ত্রপাতির কার্যকারিতা, মজুতের নির্ভুল হিসাব ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
খাদ্য বিভাগের জনবল সংকট ও প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা দূর করার পাশাপাশি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত স্থাপনাগুলো পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন আফরোজা খানম।
পরিদর্শন ও উদ্বোধনকালে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




